শিরোনাম
গণপরিবহনে ভাড়া: ই-টিকিটিংয়ে স্বস্তির বার্তা আনোয়ারা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে সিভি জমা দিলেন আব্দুল হালিম পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ এক সপ্তাহে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে ১৮০ শতাংশ জেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড উধাও রাতের আধারে চলে কস্তুরাঘাট প্যারাবন দখলের প্রতিযোগিতা অভিবাসী কর্মীদের অধিকার বাস্তবায়নে জনমত তৈরিতে গণস্বাক্ষর ক্যাম্পেইন চট্টগ্রামে বিএনপির ৬৮ নেতাকর্মীর নামে মামলা ইপিজেডে স্বামীর নির্যাতনে ৩ সন্তানের জননীর মৃত্যু ভেটারেন ফুটবলের সেমিফাইনালে পতেঙ্গার ইউসুফ বলী স্মৃতি সংসদ সি বিচের ঝাউগাছের আড়ালে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ১জন আটক
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:০৬ অপরাহ্ন

দেশে ৪ দিনেই সারবে করোনা,দেশের এক দল চিকিৎসকের গবেষণায় সাফল্যের দাবি

রিপোটারের নাম / ২২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০

করোনা চিকিৎসায় আবারো সুখবর দিল বাংলাদেশ। দেড় মাসের গবেষণায় সাফল্যের দেখা পাওয়ার দাবি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের একদল চিকিৎসকের। অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল মেডিসিনের সিঙ্গেল ডোজের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিন প্রয়োগে চারদিনেই কোভিড নাইন্টিন উপশমের দাবি করছেন তারা।

তবে গুরুতর রোগীদের বিষয়ে এখনও কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না তারা। এমন গবেষণাকে স্বাগত জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বিষয়টি যাচাইয়ে কাজ করছেন তারা।
প্রচলিত দুটি ওষুধের সমন্বিত প্রয়োগে কোভিড চিকিৎসায় নতুন পথ খুঁজছেন বাংলাদেশের একদল চিকিৎসক।

বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. তারেক আলম, এক সহযোগী চিকিৎসককে নিয়ে প্রায় দেড় মাস গবেষণা করেন। তাদের দাবি, অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল মেডিসিন ইভারমেকটিনের সিঙ্গেল ডোজের সঙ্গে অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিন প্রয়োগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের উপসর্গ মাত্র তিন দিনে ৫০ শতাংশ কমে যাওয়া আর চারদিনে টেস্টের রেজাল্ট নেগেটিভ আসার বিস্ময়কর সাফল্য পেয়েছেন তারা। ষাট জন রোগীর ওপর গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন তারা।

গবেষক অধ্যাপক ডা. তারেক আলম বলেন, অস্ট্রেলিয়ার হাসপাতালে এইটার একটি টেস্ট স্টাডি হয়েছে, সেখানে দেখা গেছে ৪৮ ঘণ্টাতে নিশ্চিত করে। সেটার ওপর ভিত্তি করেই আমরা এই ওষুধ ব্যবহার করেছি। আমরা ওষুধ ব্যবহার করার পর বেশিরভাগেরই করোনা সেরেছে।

ডা. তারেক আলম জানান, প্রাথমিক অবস্থায় সুফল মিললেও গুরুতর রোগীদের ক্ষেত্রে কতটা কাজ করবে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত নন তারা।

ডা. তারেক আলম আরো বলেন, যেহেতু আইসিইউ নেই, খুব বেশি খারাপ রোগীদের আমরা ভর্তি করিনি, সেক্ষেত্রে তাদের ওপর কেমন প্রভাব ফেলবে তা বলা কঠিন।

এদিকে এমন গবেষণাকে স্বাগত জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, পর্যাপ্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে এই গবেষণা সঠিক প্রমাণ হলে তা গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব হাবিবুর রহমান বলেন, ওনারা যেটা করেছে সেটা যদি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাফল্য আসে, সেক্ষেত্রে সরকার রিজার্চ রাখবে।

সম্মান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই গবেষণা চালানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ