শিরোনাম
আহম্মদীয়া হাফেজিয়া ফোরকানিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী মাহফিল অনুষ্ঠিত। পতেঙ্গায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মৌন প্রতিবাদ। কুমারী দিঘীরপাড় এলাকাবাসির উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী মাহফিল অনুষ্ঠিত ফটিকছড়ি সৈয়দ বাড়ী দরবার শরীফের জসনে জুলুস পীর সাবের শাহ এর সদারতে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রামের বৃহত্তর জসনে জুলুশ লোহাগাড়ার চুনতিতে দিন-দুপুরে মুদি দোকানে চুরি মাদ্রাসার ৬ শিক্ষার্থীর চুল কাটলেন শিক্ষক নকশা সংশোধন সিমেন্ট ক্রসিং মোড়ে যুক্ত হচ্ছে র‌্যাম্প নিজের তৈরি বিমানের যাত্রী হবার স্বপ্ন আশিরের পতেঙ্গা সি-বিচ দোকান মালিকদের মেয়রের উপহার প্রদান
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন

মাদ্রাসার ৬ শিক্ষার্থীর চুল কাটলেন শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ / ৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার হামছাদী কাজির দিঘীর পাড়ৃ আলিম মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর ছয় ছাত্রের চুল কেটে দিয়েছেন সিনিয়র শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির। বুধবার ক্লাস চলাকালীন সময়েৃ এ ঘটনা ঘটে। পরে তারা ক্লাস না করেই মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে যায়। এতে ছাত্র ওৃৃ অভিভাকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।ৃ এরপর জেলাজুড়ে শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।

মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বুধবার তাদের ইংরেজি ক্লাস চলছিল। এসময় হঠাৎ করে সিনিয়র শিক্ষক মঞ্জুরুল কবির স্যার কাঁচি দিয়ে আমাদের ছয় ছাত্রের মাথার চুলৃ কেটে দেন। ঘটনার পর ছাত্ররা ক্লাস না করে বেরিয়ে যায়।

পরবর্তীতে মাদ্রাসাটির অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যস্থতায় ছাত্ররা তাদের ক্লাস শেষ করে।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে এক ছাত্র জানায়, ইংরেজি ক্লাসের প্রথম ঘণ্টা পড়ার পর হঠাৎ করে মঞ্জুরুল স্যার আমাদের (ক) শাখার ক্লাসে ঢুকে ছয় ছাত্রের চুল কেটে দেয়। কিন্তু (খ) শাখার কোন ছাত্রের চুল উনি কাটেনি। আমি মাথা ন্যারা করায় চার দিন মাদ্রাসায় যায়নি। পরে স্যার দাখিল পরীক্ষার ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন।

মাদ্রাসার শিক্ষক মঞ্জুরুল কবিরের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি দাখিল শ্রেণীর সকল ছাত্রকে পরীক্ষার আগের দিন চুল কেটে মাদ্রাসায় আসতে বলেছি। ছাত্ররা আমার কথার অবাধ্য হওয়ার কারণে কয়েকজন ছাত্রের চুল কেটে দিয়েছি। আমি ওদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে থাকা ও নীতি-নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই চুল কেটে দিয়েছি। তবে আমি কাউকে কোন হুমকির দেয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবরীন চৌধুরী বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। যদি সত্যতা পাওয়া যায় তা হলে বিধিমোতাবেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ