শিরোনাম
শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন

পরকীয়া প্রেমিক সন্দেহে গার্মেন্টেস এর সিকিউরিটি সুপারভাইজার’কে পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার ২৪ ঘন্টার মধ্যে হত্যাকারী আটক।

নিউজ ফেস ডেস্ক / ২০৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১

আবু তাহের (৪৮), পিতা- মৃত শামছুদ্দিন মুন্সী, মাতা- মৃত আছিয়া বেগম, সাং- নাইল্যারছড়ি, আইয়ূব লিডারের বাড়ী, ০৪ নং ওয়ার্ড, কলমতলী ইউ/পি, থানা- কাউখালী, জেলা- রাঙ্গামাটি তিনি সপরিবারে বসবাস করতেন পতেঙ্গা মডেল থানাধীন স্টিলমিল নূর নবীর গণি, মোস্তফা ইনচার্জের বিল্ডিং, ৩য় তলায়। তিনি কর্ণফুলী ইপিজেড এর এএইচকেডি গার্মেন্টেস এর সিকিউরিটি সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাহার প্রতিবেশী রওশন আরা (৩৩), ১২ বছর বয়সী ছেলে নিলয় সহ একই ভবনে বসবাস করেন। রওশন আরা সহিত তাহার স্বামী আব্দুল জলিল (৪০), পিতা- মৃত তহির উদ্দীন, মাতা- মৃত জোলেখা খাতুন, সাং- ফকির পাড়া, চৌকিদার বাড়ী, থানা- তেতুলিয়া, জেলা পঞ্চগড় এর দাম্পত্য কলহ চলছিল দীর্ঘ দিন। কয়েকবার আবু তাহের তাদের সমস্যার সমাধানও করে দেন। রওশন আরা’র স্বামী নোয়াখালীতে থাকেন। মুড়ি চানাচুর বিক্রি করিয়া জীবিকা নির্বাহ করেন। রওশন আরা আবু তাহেরকে ভাই বলে সম্বোধন করতেন। আবু তাহেরও ছোট বোনের মত রওশন আরা’কে বিভিন্নভাবে সহায়তা করত। ডিভোর্সের পরও আব্দুল জলিল স্ত্রী রওশন আরাকে ফোন করে পুনরায় সংসার করার অনুরোধ করত। গত ০৯/১২/২০২১ ইং তারিখ আব্দুল জলিল নোয়াখালী হইতে চট্টগ্রামে আসে এবং পতেঙ্গা থানাধীন থেঁজুরতলা এলাকায় রওশন আরার মামীর বাসায় উঠেন। গত ১৪/১২/২০২১ ইং আব্দুল জলিল রওশন আরার বাসায় আসে এবং রাত্রিযাপন করে। ১৫/১২/২০২১ ইং আব্দুল জলিল বাহিরে গেলে রওশন আরা ১২ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়া বাসা হইতে পালিয়ে যায়। আব্দুল জলিল বাসায় ফিরে রওশন আরা’কে না পেয়ে আবু তাহেরকে জিজ্ঞাসা করে। তার ধারনা রওশন আরা এবং তার ছেলেকে আবু তাহের লুকিয়ে রেখেছে। রওশন আরার সহিত আবু তাহের এর অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছ মর্মেও আব্দুল জলিল সন্দেহ করত। একপর্যায়ে রওশন আরাকে না পেয়ে ক্ষুদ্ধ হয়ে গত ১৬/১২/২০২১ ইং রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকায় আব্দুল জলিল রওশন আরার এক মামাতো ভাই এবং মামাতো বোনের জামাই সহ আবু তাহের এর বাসায় আসে এবং তাকে ডেকে নিচে নিয়ে যায়। অতর্কিতভাবে আব্দুল জলিল এর নেতৃত্বে সকলে আবু তাহের’কে কিল-ঘুষি, লাথি মেরে আহত করে। চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রামে ২৭ নং ওয়ার্ডে আবু তাহের’কে ভর্তি করানো হয়। ১৭/১২/২০২১ ইং রাত ০১.৪০ ঘটিকার সময় আবু তাহের মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন। আবু তাহের এর মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আব্দুল জলিল পালিয়ে যায়। আবু তাহের এর মেয়ে রাজিয়া সুলতানা, মোবাইল ০১৬২৭-২৫০৩২১ বাদী হয়ে পতেঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পতেঙ্গা থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করিয়া ২৪ ঘন্টার মধ্যে নোয়াখালীর কিল্লার হাট এলাকা হইতে আসামী আব্দুল জলিল’কে গ্রেফতার করে। আব্দুল জলিল’কে আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে এবং ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড এর আবেদন করা হইয়াছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ