শিরোনাম
গণপরিবহনে ভাড়া: ই-টিকিটিংয়ে স্বস্তির বার্তা আনোয়ারা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে সিভি জমা দিলেন আব্দুল হালিম পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ এক সপ্তাহে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে ১৮০ শতাংশ জেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড উধাও রাতের আধারে চলে কস্তুরাঘাট প্যারাবন দখলের প্রতিযোগিতা অভিবাসী কর্মীদের অধিকার বাস্তবায়নে জনমত তৈরিতে গণস্বাক্ষর ক্যাম্পেইন চট্টগ্রামে বিএনপির ৬৮ নেতাকর্মীর নামে মামলা ইপিজেডে স্বামীর নির্যাতনে ৩ সন্তানের জননীর মৃত্যু ভেটারেন ফুটবলের সেমিফাইনালে পতেঙ্গার ইউসুফ বলী স্মৃতি সংসদ সি বিচের ঝাউগাছের আড়ালে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ১জন আটক
বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০১:৫১ অপরাহ্ন

অভিবাসী কর্মীদের অধিকার বাস্তবায়নে জনমত তৈরিতে গণস্বাক্ষর ক্যাম্পেইন

নিউজ ফেস ডেস্ক / ৬৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২

অভিবাসীর অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির (BNWLA) উদ্যোগে হেলভেটাস বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন “সিম্স” প্রকল্পের আওতায় অভিবাসী কর্মীদের অধিকার বাস্তবায়নে জনমত তৈরিতে চট্টগ্রাম কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস প্রাঙ্গণে আজ গণস্বাক্ষর ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

মহিলা আইনজীবী সমিতির চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রধান এ্যাডভোকেট দিল আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা জনশক্তি ও কর্মস্ংস্থান অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন উন্নয়ন সংস্থা প্রত্যাশীর সিমস প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার বশির আহম্মদ মনি, সহকারী তথ্য অফিসার জিএম সাইফুল ইসলাম।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান রাখেন মহিলা আইনজীবী সমিতির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি এডভোকেট ফেরদৌস নিগার। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রত্যাশী প্রতিনিধি রশিদা খাতুন ও বাপ্পু চন্দ্র পাল।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশ সরকার অভিবাসী কর্মীদের অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে। দক্ষ হয়ে বিদেশ যাওয়া ও অভিবাসী কর্মীদের প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সমস্যা সমাধানে ও প্রতিকার প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস বা প্রমাণাদী সংরক্ষণের বিষয়ে তিনি গুরুত্ব প্রদান করেন।

তিনি অভিবাসী কর্মীদের জন্য সরকার গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের বর্ণনা দিয়ে বলেন, সরকার প্রক্রিয়ায় দক্ষ হয়ে বিদেশ গেলে কর্মীর কোন ঝুঁকির আশংকা থাকে না। এছাড়া বিদেশে মারা যাওয়ার মতো বড় দুর্ঘটনা ঘটলে প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তিও সহজ হয়। অভিবাসন প্রক্রিয়া হয় নিরাপদ।

পরে একজন প্রবাসীর সন্তানের সাক্ষরের মাধ্যমে সিগনেচার ক্যাম্পেইন শুরু হয়। বিএমইটির অধীনে সালিস সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা কোন সেল না থাকায় আলাদা সেল করার দাবিতে এ সিগনেচার ক্যাম্পেইন এর আয়োজন করা হয়।

পরে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের উদ্যোগে প্রবাসী কর্মীর মেধাবী সন্তানদের মধ্যে শিক্ষা বৃত্তির চেক হস্তান্তর করা হয়। এসময় প্রত্যেককে ২৭ হাজার ৫০০ টাকা করে ১২১ জন মেধাবী প্রবাসীর সন্তানদের চেক দেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ